নিজের বুথে হিয়ারিং এ যাবার সময় হাওড়া সদর সাংগঠনিক জেলার ডোমজুড় বিধানসভার বালি জগাছা ব্লকের ১৮৬ নম্বর বুথের বিএলএ দুই ও সভাপতি চন্দন সরকারের মৃত্যু হয়েছে পথ দুর্ঘটনায় । এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ এলাকা। এবার অত্যাধিক কাজের চাপ এবং নির্বাচন কমিশনের অপরিকল্পিত সিধান্তের সাফার হচ্ছেন বিএলও, বিএলএ এবং সাধারণ মানুষ ।

এবার এই অভিযোগ তুললেন হাওড়ার ডোমজুড়ের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তাপস মাইতি । সোমবার তিনি মৃতের পরিবারে যান ও তাদের আর্থিক সহায়তা করেন। পাশাপাশি মৃত চন্দন সরকারের ছেলের পড়াশোনাসহ সবরকম সহযোগিতা করার দলের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেন। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেতা তাপস মাইতি জানান , বয়স্ক, অসুস্থ মানুষদের আজ হিয়ারিংএ যেতে হচ্ছে অনেক দূরে। নির্বাচন কমিশনের এই অপরিকল্পিত সিধান্তের জন্য ভুগতে হচ্ছে সাধারন মানুষদের। আজ কতজন মারা যাচ্ছে ।

এর দায় নির্বাচন কমিশন ও ভারতীয় জনতা পার্টিকে নিতে হবে। আমাদের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি বারবার এই নিয়ে মানুষের অসুবিধার কথা বলে মানুষের পাশে আছেন। অভিষেক ব্যানার্জির নির্দেশেই তিনি এখানে এসেছেন বলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান ডোমজুড় কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তাপস মাইতি । এদিকে এই ঘটনায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জিও শোক প্রকাশ করেছেন।











Leave a Reply